বন্ধুগন সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আজ আমি আপনাদের সামনে আবার হাজির হলাম আরো একটি পিঠার আয়োজন নিয়ে।আটা ময়দা তো সবসময়ই সবার ঘরে থাকে। ঝটপট
মজাদার নাস্তা তৈরি বা পিঠা তৈরির জন্য যদি আট ময়দা ব্যাবহার করা হয় তবে কেমন হয়।এখন আপনাদের
জন্য দেওয়া হচ্ছে একটি মজার নাস্তার
রেসিপি। এটি হলো ডিম দিয়ে তৈরি করুন মজাদার বিস্কিট পিঠা এর রেসিপি।আমরা সবাই কম বেশি পিঠা খেতে ভালবাসি । শীত বা গরমে সব ঋতুতে বস্কিুট পিঠা তৈরি করা য়ায। বিস্কিট পিঠা
খেতে পারেন বিকেলের নাস্তায়, দিতে পারেন
বাচ্চার টিফিনে কিংবা মেহমান আপ্যায়নে চায়ের সাথে খুব ভাল যায়।
ছোটবেলায় এই পিঠাটা আমার এক ফুপু গ্রামে থেকে বানিয়ে আনতেন ।তখন অনেক মজা লাগতো এ পিঠা !এ পিঠা ফুল,পাতা ইত্যাদি নানা ধরনে ডিজাইনে বানানো যায়।তবে ফুলে পিঠা ফেটে ফেটে যাওয়া ডিজাইনটা ভাল আসে না।আমি সব সময় এই খাবার তৈরি করে থাকি।এটার আলাদা কোন নাম আছে কি না তা আমার জানা নেই।আমরা এটাকে ডিম ময়দার বস্কিুট পিঠা বলে থেকি।তেমনি একটি পিঠা হল বস্কিুট পিঠা । জেনে নিন, কীভাবে তৈরি করা যায় ডিম দিয়ে তৈরি মজাদার এই বিস্কিট পিঠা।আশাকরি মেহমানদারী ও সহজেই নাস্তা বানানোর কাজে সকলের উপকার হবে।
পিঠা বানাতে যা যা লাগবে
উপকরণঃ
*ডিম-৩টা
*চিনি-কাপ/স্বাদমত
*লবন-আধাচা.চা./স্বাদমত
*ময়দা-৩ কাপ (ডিমের সাইজ অনুযায়ী কিছুটা কম/বেশি লাগতে পারে)
*ডুবোতেল-ভাজার জন্য
*চিনি-কাপ/স্বাদমত
*লবন-আধাচা.চা./স্বাদমত
*ময়দা-৩ কাপ (ডিমের সাইজ অনুযায়ী কিছুটা কম/বেশি লাগতে পারে)
*ডুবোতেল-ভাজার জন্য
·
যেভাবে তৈরি
করবেন-
প্রথমে ২ কাপ
চিনি
নিয়ে ব্লন্ডোরে বা শলি পাটা মিহি করে গুড়া করে একটা বাটিতে রেখে দিন। একটা
বড় বাটতি ৩ টা ডিম ভেঙে ননি। বিটার বা চামচ দিয়ে ডিম গুলো অল্প কছিুক্ষণ বিট করুন।ময়দা চালনি দিয়ে
চেলে ননি। তারপর ডিমের মধ্য চিনির গুড়া অল্প অল্প করে দিয়ে মিশিয়ে নিন। সয়াবনি তলে ১/৩ কাপ দিয়ে দিন
ডিম ও চিনির মধ্যে। ভালোভাবে মিশেয়ে
নিন। আপ্নারা
চাইলে ময়দাটা চালনি দিয়ে চেলে নিতে পারেন। রুটি
বা পরোটার খামিরের চেয়ে একটু নরম করে খামির তৈরী করুন। সাধারণত ৩ ডিমে ৪ কাপ ময়দা হলে
ঠিক হয়, তবে ডিম ছোট-বড় হলে বা কাপের সাইজের বিভিন্নতার জন্য মাপ ভিন্ন হয়ে যাবে। খামিরটাকে
ঢেকে রেখে দিন ৫-৬ ঘণ্টা জন্য। ঘন্টা পাঁচকে পর দেখবেন নরম খামরিটা খানকিটা শক্ত
হয়ে একদম রুটি বানানোর খামরিরে মতো হয়ে গছে। এরপরে
খামির থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে বেলন পিঁড়ার সাহার্য্য রুটি বানাতে হবে। তারপরে এটাকে সাধারণ রুটরি আকারে বেল ননি। এর পর লম্বা লম্বা করে কাটতে হবে। এর পর কোনা কোনা করে কাটতে
হবে।এভাবে সব গুলো পিঠা তৈরি করতে হবে। সব
পিঠা তৈরি করা হলে ।চুলায় কড়াই দিয়ে তেল গরম করতে হবে। তেল গরম করতে হলে পিঠা গুলো ডুবো
তেলে ভাজতে হবে।ফুলে ফেপে ডবল হবে সেই অনুযায়ী আকার
দেবেন আর যতটা সম্ভব কম আচে উল্টে পাল্টে ভেজে নেবেন।এতে বাইরে ক্রিস্পি হবে আর
ভিতরে নরম থাকবে। যখন পিঠা গুলো বাদামি রং
ধারন করবে তখন পিঠা গুলো তুলে নিতে হবে।
সংরক্ষণ
এই পিঠা কে অন্য ভাবে সংরক্ষণ করা য়ায। তা হলো পিঠা যখন আধা ভাজা হবে তখন
তুলে নিতে হবে। ঠান্ডা হয়ে গেলে বয়ামে বা এয়ারটাইট বক্সে রেখে দিতে হবে। যখন খেতে ইচ্ছা হবে তখন আবার ভেজে নিলেই হবে।
·
·


No comments:
Post a Comment