Breaking

Post Top Ad

Tuesday, November 7, 2017

মজাদার ভাপা পিঠা

মজাদার ভাপা পিঠা


ষড়ঋতুর দেশ আমাদের এই  বাংলাদেশ আর শীতকাল হচ্ছে এদের মধ্যে অন্যতম একটি ঋতু শীতকালে নতুন ধান ওঠে সেই ধানে ঘরে ঘরে পিঠা বানানোর ধুম পরে য়ায় নতুন চালের গুঁড়া আর খেজুর রসের গুড় দিয়ে  তৈরি করা  হয় নানা ধরনের  পিঠা বিভিন্ন ধরনের তাদের নাম, বিভিন্ন ধরনের রূপের বাহার ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পুলি পিঠা, পাটিসাপটা ,দুধ পিঠা, পিঠা ছাড়া আরও ভিন্ন ভিন্ন  রকম পিঠা তৈরি হয় বাংলার প্রতিটি  ঘরে ঘরে পায়েস, ক্ষীর ইত্যাদি মুখরোচক খাবার আমাদের আমাদেরকে তৃপ্ত করে শীতকালে শীত কালে শহর থেকে প্রায় মানুষ  গ্রামে যায় পিঠা খেতে এই সময় গ্রামের বাড়িগুলো নতুন নতুন  অতিথিদের আগমনে মুখরিত হয়ে ওঠে শীতের সকাল বেলা চুলার পাশে বসে গরম গরম ভাপা পিঠা খাওয়ার কতই না  মজা গ্রামের মতো শহরে গুলো তে শীতের পিঠা সে রকম ভাবে তৈরি হয় না তবে শহরের রাস্তাগুলোতে  শীতকালে ভাপাপিঠা চিতই পিঠা বানিয়ে বিক্রি করা হয় ছাড়া অনেক বড় বড় হোটেলে পিঠা  উৎসব হয় পিঠা বাঙালি সংস্কৃতির একটি অন্যতম প্রধান  উপাদান আর শীতের পিঠা আমাদের খাদ্য তালিকায় এনেছে অন্য রকম  বৈচিত্র্য

পিঠা একটি মুখরোচক  খাদ্যদ্রব্য পিঠা সাধারণ তো  চালের গুঁড়ো, আটা, ময়দা, অথবা অন্য যে কোনও শস্যজাত গুঁড়ো দিয়ে তৈরি করা হয় এলাকা অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন এবং বিভিন্ন ধরনের  পিঠা তৈরি করা হয়ে থাকে গ্রামাঞ্চলে সাধারণত নতুন ধান উঠার পর থেকেইপিঠা তৈরির  করা হযয়ে থাকে শীতের সময় পিঠার বাহারি উপস্থাপন আধিক্য দেখা যায় পিঠা মিষ্টি, ঝাল, টক বা বা অন্য যে কোনও স্বাদের হতে পারে

পিঠাপুলির দেশ বাংলাদেশ পিঠা দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্য অন্যতম পৌষের হিমেল হাওয়া ছাড়া যেমন শীতকে কল্পনা করা যায় না, ঠিক তেমনি পিঠা ছাড়াও বাঙালির ঐতিহ্য ভাবা যায় না তবে অঞ্চলভেদে ভিন্ন ভিন্ন পিঠা যেমন দেখা যায়, তেমনি একেকটি পিঠার বিভিন্ন বিভিন্ন নামও লক্ষ করা যায় আর সেসব পিঠার নামের বাহার জন্য  পিঠা খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আরো বহু গুন বাড়িয়ে দেয় এসব পিঠার মধ্যে বেশ কিছুপরিচিত পিঠা আছে আর এর মধ্য চিতই, ভাপা, পাটিসাপটা, নকশি, সেমাই, সাঁজের, রসের, তেলের, পাক্কূণ, ডালের, বিউটি পাপড়ি, মাংস, পুলিপিঠা ইত্যাদি ছাড়াও বিভিন্ন অঞ্চলে নানান সব বাহারি  নামের পিঠা দেখা যায়




উপকরণ:

সিদ্ধ চালের গুঁড়া ,

ভেঙে নেওয়া খেজুরের গুড়  কাপ

নারিকেল কোরানো  কাপ,

 লবণ স্বাদমতো
প্রস্তুত প্রাণালী :

প্রথমে চালের গুরা চালনি দিয়ে  চেলে নিতে হবেচালের গুঁড়িতে লবণ মিশিয়ে  পানি দিয়ে মেখে নিতে হবে খেয়াল রাখতে হবেযেন দলা না বাঁধে হালকা ভাবে মেখে নিতে হবে। এবার বাঁশের চালনি বা প্লাস্টিকের চালনিতে চেলে নিতে হবে।ভাপা পিঠা বানানোর হাঁড়িতে পানি দিন  হাঁড়ির অর্ধেকটা পানিতে ভরে জ্বাল দিতে হবে  পানি ফুটে ভাপ ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ভাপা পিঠার জন্য বাজারে বিশেষ এক ধরনের হাড়ি কিনতে পাওয়া যায় , সেটিওচাইলে আপনারা কিনে  ব্যবাহার করতে পারেন এই হাঁড়িটির ঢাকনার ঠিক মাঝখানে একটা ফুটো থাকে হাড়ি কিনারায় বাতাস চলাচল আটকে দেয়া হয় তাই ভাপটা ফুটো দিয়েই বের হয় চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিনপাতলা সুতার দুই টুকরা কাপড় বা মশাড়ি জাল   ছোট দুটি বাটি নিনএবার বাটিতে চালা চালের গুঁড়ি দিয়ে মাঝখানে  কিছুটা  গুড়  নারিকেল দিনআবার  চালের  গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিন এবার এক টুকরা পাতলা সুতির কাপড় ভিজিয়ে পিঠার বাটি ঢেকে উল্টে মুখ ছিদ্র ঢাকনার ওপর পিঠা রেখে সাবধানে বাটি খুলে পিঠা ঢেকে দিন। / মিনিট ভাপে সেদ্ধ হলে ঢাকনা সরিয়ে আঙ্গুল দিয়ে চেপে দেখতে হবে নরম হয়েছে কিনা  পিঠা হলে উঠিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।ব্যাস  তৈরি হয়ে গেল মজাদার ভাপা পিঠা


No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Pages